ডা. এসএম খালিদুজ্জামান
সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, ঢাকা-১৭

একটি সুশাসন, ন্যায়ভিত্তিক ও শিক্ষাবান্ধব সমাজ গঠনে তিনি কাজ করছেন চার দশকের বেশি সময় ধরে। এবার সময় এসেছে উন্নয়ন ও সেবার ধারাকে নতুন মাত্রায় এগিয়ে নেওয়ার।


জনগণের পাশে সর্বদাই...
ব্যক্তিগত পরিচিতি
ডা. এসএম খালিদুজ্জামান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে জেলা পর্যায়ে তৃতীয় স্থান এবং ৮ম শ্রেণিতে কৃতিত্বের সাথে বৃত্তি পান। এসএসসিতে উপজেলায় সর্বাধিক নম্বর পেয়ে প্রথম শ্রেণিতে এবং এইচএসসিতে রেকর্ড সংখ্যক মার্ক পেয়ে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। ছাত্রজীবন শেষ করে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর মেডিকেল থানা আমীরের দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষাজীবন
খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ইন্ডিয়া থেকে উচ্চতর ডিগ্রী এমএসসি (ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি) অর্জন করেন।
চিকিৎসাসেবায় অবদান
এ্যাপোলো (বর্তমানে এভারকেয়ার) হাসপাতালে কর্মজীবন শুরু। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশে প্রথম আন্তর্জাতিকমানের বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র 'বাংলাদেশ ফার্টিলিটি হাসপাতাল'। এনডিএফ ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ভিশন
"মানুষের মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। শিক্ষা, ন্যায়, উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধ সমাজ গঠন।"
সবার সুখে–দুঃখে, উন্নয়নে, অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবেন মানবিক চিকিৎসক ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ ঢাকা-১৭ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার
ঢাকা-১৭ শুধু একটি সংসদীয় আসন নয়, এটি ঢাকা শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বৈচিত্র্যময় আসন। এই আসনে একদিকে রয়েছে কূটনৈতিক এলাকা ও ক্যান্টনমেন্ট, রয়েছে শিক্ষিত ও এলিট শ্রেণির মানুষের বসবাস, অপরদিকে রয়েছে সমাজের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অবস্থান। ফলে এই অঞ্চলের মানুষের সমস্যা, সংকট ও চাহিদাও ভিন্ন ভিন্ন। আমরা এই বাস্তবতা অনুধাবন করেছি, সমস্যা চিহ্নিত করেছি, সমাধানের বাস্তবসম্মত উপায়ও নির্ধারণ করেছি। ১৭ টি মৌলিক বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি ভোটার এলাকাভিত্তিক চলমান সমস্যাগুলোকে এড্রেস করে আমরা আমাদের ইশতেহার প্রণয়ন করেছি।
১৭টিমৌলিক অগ্রাধিকার
১. সুশাসন ও জবাবদিহিতা
২. সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষের ন্যায্য স্বার্থ সংরক্ষণ
৩. নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তি স্বাধীনতা
৪. মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতি প্রতিরোধ
৫. মানসম্মত, সহজ ও সার্বজনীন শিক্ষা
৬. উন্নত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা
৭. নারী স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা
৮. তরুণ ও যুবসমাজকে দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল ও উৎপাদনশীল মানবসম্পদে রূপান্তর
৯. বস্তিবাসীর টেকসই পুনর্বাসন
১০. রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার অবকাঠামোগত উন্নয়ন
১১. জলাবদ্ধতা ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যার সমাধান
১২. সুস্থধারার সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চা বিকাশ
১৩. পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই নগর উন্নয়ন
১৪. মানবিক ও বৈষম্যহীন নগরী গঠন
১৫. আধুনিক ও নিরাপদ নগর ব্যবস্থাপনা
১৬. স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন
১৭. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুরক্ষা
১৭টিবিশেষ উদ্যোগ
১. ঘরে ঘরে স্মার্ট স্যোশাল সিকিউরিটি কার্ড।
২. দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ‘ডিজিটাল পাহারাদার’ অ্যাপস।
৩. “ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড” ফর্মুলার আওতায় ডিজিটাল হেলথ কার্ড।
৪. প্রবীণ ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের জন্য বিশেষ Homecare Services
৫. Discount Pharmacy
৬. স্বল্পমূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ও রক্তের চাহিদা পূরণে কল সেন্টার ও অ্যাপসভিত্তিক সেবা
৭. Senior Citizens Club
৮. আইওটি ভিত্তিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
৯. স্মার্ট লাইব্রেরী ও ই-লার্নিং সুবিধা
১০. নারীদের সম্মানজনক ও নিরাপদ কর্মসংস্থানে “আমার আয়ের সংসার” প্রকল্প
১১. নারী স্বাস্থ্য ও শরীরচর্চা কেন্দ্র, নারী স্বাস্থ্য ইউনিট, বয়স্ক নারী শিক্ষাকেন্দ্র, স্বতন্ত্র ট্রান্সপোর্ট, পাবলিক টয়লেট, বাজার, ব্রেস্টফিডিং কর্নার ও নামাজের জায়গা
১২. যুবকদের কর্মসংস্থানে ‘দক্ষতা’ শীর্ষক অ্যাপস ব্যবহার। বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও বৃত্তিমূলক ব্যবস্থা
১৩. ডিজিটাল সিটি ট্রাভেল পাস
১৪. গণপরিবহনে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম
১৫. ওয়ার্ডভিত্তিক Wholesale Shop
১৬. Free Friday Hawker Fair
১৭. নাগরিক নিবন্ধন ও সেবায় Hello Dhaka-17 Hotline
১৭টিস্থানীয় সমস্যার অগ্রাধিকার ভিত্তিক সমাধান
১. স্থানীয় পর্যায়ে স্বাধীন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি মনিটরিং সেল গঠন। সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, নৈতিক শিক্ষা সম্প্রসারণ, ছিনতাই, চুরি, কিশোর গ্যাং সন্ত্রাস ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবসা প্রতিরোধে নিয়মিত মনিটরিং ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতকরণ।
২. গুলশান-বনানী লেকের আধুনিকায়ন, সবুজায়ন ও দুর্গন্ধমুক্তকরণ।
৩. লেক ও ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও বিকল্প বাজার ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণ।
৪. গুলশান লিংক ও বাড্ডা রোড প্রশস্তকরণ, ইউটার্ন রোধ, ইন্ডিয়ান অ্যাম্বাসির পার্শ্ববর্তী একমুখী রাস্তাকে দ্বিমুখী রাস্তায় রূপান্তর, ঝিলপাড় হয়ে গুলশানের প্রবেশমুখে বিকল্প রাস্তা পরিকল্পনা, ইসিবি থেকে কালিবড়ি হয়ে উত্তরা পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্ত করণ, সাগুফতা থেকে বের হওয়া ৪ টা রাস্তার সংস্কার, মানিকদি মাছের বাজার থেকে স্টিল ব্রিজ পর্যন্ত সংস্কার এবং ভাষানটেক থেকে চেকপোস্ট পর্যন্ত যানজট সমস্যার আশু সমাধান। শাহজাদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মিতব্য ফুটওভার নির্মাণ কার্য দ্রুত সম্পন্নকরণ ও বনানী থেকে কুড়িল হয়ে মিরপুর ১৪ পর্যন্ত আন্ডারপাস স্থাপন। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা অপসারণ ও নিয়মিত পরিষ্কারকরণ। বিশেষ করে ক্যান্টনমেন্টের বেপালী মার্কেট এলাকার ড্রেনেজ লাইন সংস্কার করা ও মাটিকাটা ও ইসিবি চত্বরের পাশের খানপল্লী এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন।
৫. অপরিকল্পিত ও অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণ রোধ, পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস ও সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন, আন্ডারগ্রাউন্ড লাইনিং, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
৬. অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ, গুলশান, বনানী ও মহাখালীতে মাল্টিস্টোরি পার্কিং কমপ্লেক্স নির্মাণ, ট্রাফিক কন্ট্রোল, ইমার্জেন্সি সার্ভিস পোল স্থাপন, রাস্তাঘাট ও অফিস-আদালতে সিসিটিভি, পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইটের ব্যবস্থা, সকল ফাঁড়ি ও চেক-পোস্টে প্রত্যক্ষ নজরদারি বাড়ানো।
৭. বিদ্যুৎ চালিত যানবাহনের কাঠামোগত, অটোরিকশা চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স, বাইক ও অটোরিকশার জন্য নির্ধারিত রুট ও আলাদা লেন এবং পর্যাপ্ত চার্জিং স্টেশন স্থাপন
৮. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংকট দূরীকরণ, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ।
৯. যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করা, দুর্গন্ধ, মশার উপদ্রব ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ। প্লাস্টিক ও পলিথিনমুক্তকরণ, বৃক্ষরোপণ, শব্দদূষণ হ্রাস ও শ্রবণস্বাস্থ্য সুরক্ষা।
১০. ভোটার এলাকায় একাধিক খেলার মাঠ, বিনোদন কেন্দ্র ও কিডস কর্নার স্থাপন।
১১. ভাষানটেক ও ক্যান্টনমেন্টের আশেপাশের এলাকায় মানসম্মত সরকারি স্কুল ও কলেজ, সরকারি হাসপাতাল, ট্রমা সেন্টার ও কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন। পথশিশু ও নিরক্ষর বয়স্কদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে তাদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে সমাজের মূল ধারায় সম্পৃক্তকরণ।
১২. বিনামূল্যে মাতৃকালীন ও নবজাতক সেবা, ষাটোর্ধ্ব ও পাঁচ বছরের নিচে শিশুর বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিশেষায়িত নারী ও প্রবীণ হাসপাতাল করা।
১৩. নিয়মিত কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ছানি অপারেশন, সুন্নতে খতনা, চক্ষু শিবির, রক্তদান কর্মসূচি ও স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজন, বিনামূল্যে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি ও দাফন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহায়তা, কলসেন্টার ও অ্যাপসভিত্তিক রক্ত সরবরাহ সেবা।
১৪. যুবক, নারী উদ্যোক্তা ও নিম্ন আয়ের মানুষের কর্মসংস্থানে ক্ষুদ্র ঋণ কিংবা কর্জে হাসানার ব্যবস্থা। বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও বৃত্তির ব্যবস্থা রাখা।
১৫. কড়াইল, সাততলা ও বেলতলা বস্তির অস্থায়ী ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণ, পর্যাপ্ত টয়লেট সমস্যার সমাধান, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, ডিপ টিউবওয়েল ও ওয়াটার ফিলটার স্থাপন, জরুরি সেবা পৌঁছানোর বিকল্প রাস্তা নির্মাণ, মালিকানা বিরোধ নিষ্পত্তি, পুনর্বাসন ও টেকসই উন্নয়ন।
১৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চিকিৎসা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে হত দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
১৭. নদ্দা, কালাচাঁদপুর ও অন্যান্য এলাকায় বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। পরিশেষে এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা চাই। ১২ ফ্রেব্রুয়ারী আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ স্বপ্নের ঢাকা-১৭ গড়ে তুলতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
সামাজিক ও মানবিক কাজে অবদান
ডা. এসএম খালিদুজ্জামান ২০১৩ সালে লতিফা-রশিদ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এই ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।
ফ্রি চিকিৎসা, হেলথ লোন, হেলথ কার্ড, বৃত্তি প্রকল্প, কারিগরি শিক্ষা, পথশিশু শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, পাঠাগার প্রতিষ্ঠা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ নানা সামাজিক কাজ পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া তিনি লাইফসাইকেলবিডি ব্লাড ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন
তিনি ডাক্তারদের নিয়ে গঠিত জাতীয় সংগঠন এনডিএফ ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ শাখার ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং ইন্টার্ন ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবন
ছাত্রজীবন শেষ করে ডা. এসএম খালিদুজ্জামান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর মেডিকেল থানা আমীরের দায়িত্ব পালন করছেন।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা
চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের জন্য তিনি ভারতে অবস্থান করেন এবং আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা প্রদানে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
যোগাযোগ
আহ্বান: আসুন, নীতি ও ন্যায়ের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।
আপনার এলাকার যেকোনো সমস্যা বা পরামর্শ আমাদের জানাতেন পারেন। আমরা আছি সর্বদা আপনার পাশে।
